ছয়’শ বছর পুরানো বিনত বিবি মসজিদটি কালের সাক্ষী হয়ে মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়ে আছে পুরান ঢাকার নারিন্দায়। ঢাকার প্রথম এই মসজিদটি ঢাকার সবচেয়ে পুরানো স্থাপত্য নিদর্শনগুলোর একটি। মসজিদটি ইসলাম খাঁ আগমনের প্রায় দেড়শ বছর আগে ১৪৫৭ খ্রিস্টাব্দে সুলতান নাসিরুদ্দিন মাহমুদ শাহের শাসনামলে নির্মাণ করা হয়। সে সময় পারস্য উপসাগরের আশেপাশের লোকজন প্রায়ই জলপথে এ অঞ্চলে আসতেন বাণিজ্যের কাজে। আরাকান আলী নামক এক সওদাগর সে সময় এ এলাকায় বাণিজ্যের জন্য আসেন এবং এখানেই বসবাস শুরু করেন। নামাজ পড়ার সুবিধার্থে তিনিই একসময় এখানে মসজিদটি নির্মাণ করেছিলেন। এখানে বসবাসকালীন আরাকান আলীর মেয়ে বিনত বিবির আকস্মিক মৃত্যু হলে এই মসজিদের পাশেই কবর দেয়া হয় এবং পরবর্তীতে আরাকান আলীর মৃত্যু ঘটলে তাকেও এখানেই কবর দেয়া হয়। আরাকান আলীর কন্যা বিনত বিবির নামে পরবর্তীতে মসজিদটির নামকরণ করা হয়। মসজিদের দেয়ালে একটি কালো পাথরে এই ইতিহাস ফার্সি ভাষায় খোদাই করা আছে।
ছয়’শ বছর পুরানো বিনত বিবি মসজিদটি কালের সাক্ষী হয়ে মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়ে আছে পুরান ঢাকার নারিন্দায়
ছয়’শ বছর পুরানো বিনত বিবি মসজিদটি কালের সাক্ষী হয়ে মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়ে আছে পুরান ঢাকার নারিন্দায়। ঢাকার প্রথম এই মসজিদটি ঢাকার সবচেয়ে পুরানো স্থাপত্য নিদর্শনগুলোর একটি। মসজিদটি ইসলাম খাঁ আগমনের প্রায় দেড়শ বছর আগে ১৪৫৭ খ্রিস্টাব্দে সুলতান নাসিরুদ্দিন মাহমুদ শাহের শাসনামলে নির্মাণ করা হয়। সে সময় পারস্য উপসাগরের আশেপাশের লোকজন প্রায়ই জলপথে এ অঞ্চলে আসতেন বাণিজ্যের কাজে। আরাকান আলী নামক এক সওদাগর সে সময় এ এলাকায় বাণিজ্যের জন্য আসেন এবং এখানেই বসবাস শুরু করেন। নামাজ পড়ার সুবিধার্থে তিনিই একসময় এখানে মসজিদটি নির্মাণ করেছিলেন। এখানে বসবাসকালীন আরাকান আলীর মেয়ে বিনত বিবির আকস্মিক মৃত্যু হলে এই মসজিদের পাশেই কবর দেয়া হয় এবং পরবর্তীতে আরাকান আলীর মৃত্যু ঘটলে তাকেও এখানেই কবর দেয়া হয়। আরাকান আলীর কন্যা বিনত বিবির নামে পরবর্তীতে মসজিদটির নামকরণ করা হয়। মসজিদের দেয়ালে একটি কালো পাথরে এই ইতিহাস ফার্সি ভাষায় খোদাই করা আছে।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন Blogger Facebook